পাতা

প্রকল্প

১। নদী মাতৃক বাংলাদেশের নৌ-পথে পরিবহনের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি।

২। নৌ-পথের উন্নয়ন ও নাব্যতা সংরক্ষণ।

৩। অভ্যন্তরীন নৌ-বন্দর সমূহের টার্মিনাল সুবিধা প্রদান।

৪। নৌ-পথ জরীপ, নৌ-পথ নির্দেশের জন্য বয়া।

৫। বিকন, লাইট সিগন্যাল ও পাইলটেজ সুবিধা প্রদান।

৬। নৌ-পথের বাধা-বিঘ্ন অপসারনের জন্য নিমজ্জিত নৌ-যান উদ্ধার।

৭। নৌ-পথের আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্যাদি পরিবেশন এবং নৌ-কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইত্যাদি সেবামূলক বিধিবদ্ধ দায়িত্ব পালন করার উদ্দেশ্যে ১৯৫৮ সনে অত্র কর্তৃপক্ষের সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ একটি অ-বাণিজ্যিক ও সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান।

৮। কর্তৃপক্ষ বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৬,০০০ কিলোমিটার নৌ-পথে এবং শুল্ক মৌসুমে প্রায় ৩৮০০ কিলোমিটার নৌ-পথে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করে থাকে ।

 

৯। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ , চাঁদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী , খুলনা, আরিচা, নগরবাড়ী, দৌলতদিয়া, নরসিংদী, কাজির হাট, বাঘাবাড়ী, মাওয়া, চরজানাজাত, আশুগঞ্জ-ভৈরববাজার, মীরকাদিম (মুন্সিগঞ্জ), নওয়াপাড়া, ভোলা, বরগুনা, টঙ্গী, ছাতক ও মেঘনাঘাট। ২২টি নদী বন্দর, প্রায় ৮২৭টি লঞ্চঘাট/ল্যান্ডি ষ্টেশন ৫০০ টি বার্জ/ফ্ল্যাট/পল্টুন, ৮টি  ফেরী টার্মিনাল, ১৭টি ফেরী পয়েন্ট, ৩৯৬টি ইমারত, ৩৮টি যাত্রী ছাউনী, ১০টি ড্রেজার, ২২৫টি জেটি, ৫৫টি গ্যাংওয়ে, ২৬টি পাইলট ষ্টেশন ২টি উদ্ধারকারী জলযান এবং ১২৩টি জাহাজ/নৌ-যানের মাধ্যমে যাত্রীদের নিরাপদ আরোহণ ও অবরোহণ এবং মালামাল উঠানামার সুবিধাদি প্রদান করে আসছে।

 

১০। নৌ-পথে দিবা-রাত্রি নৌ-যান/জাহাজ চলাচল এবং যাত্রী ও মালামাল পরিবহন সুবিধাদি অব্যাহত রাখার উদ্দেশ্যে এ প্রতিষ্ঠান অভ্যন্তরীণ ও উপকূলীয় নৌ-পথ জরিপ,

১১। স্বয়ংক্রিয় বয়া-বাতি, বিকন, মার্কা স্থাপন ও সংরক্ষণ।

১২। নদীর গভীরতা চিহ্নিতকরণ, পাইলট সার্ভিস প্রদান এবং যাত্রী পরিবহনের স্বার্থে পরিসংখ্যান সংগ্রহনের মাধ্যমে যাত্রীবাহী জলযানের সময়সূচী নির্ধারন ও চলাচল নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি সুবিধাদি প্রদান করে থাকে ।

১৩। নৌ-পথের নাব্যতা রক্ষার্থে বাঅনৌপ-কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ১০টি ড্রেজারের পাশাপাশি বে-সরকারী ড্রেজার নিয়োগের মাধ্যমে নৌ-পথে সংরক্ষণমূলক খনন কাজ করে থাকে ।

১৪। কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোরিয়া থেকে সম্প্রতি সংগৃহীত ২টি (প্রতিটি ২৫০মেঃ টন ক্ষমতা সম্পন্ন) উদ্ধারকারী জাহাজসহ ০৪টি নৌ-উদ্ধারকারী ইউনিটের মাধ্যমে নিমজ্জিত জলযানের উদ্ধার কাজ এবং নারায়নগঞ্জ এবং সম্প্রতি বরিশালে ৪টি ও মাদারীপুরে নব নির্মিত টেনিং ইনষ্টিটিউট (ডিইপিটিসি)-এর মাধ্যমে ইঞ্জিন ও ডেক কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ নৌ-কর্মী সৃষ্টি করছে।

১৫। বাংলাদেশের ক্রমাবনতিশীল নাব্যতা পরিস্থিতির কারণে কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও কর্মকান্ডের পরিধি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধির সাথে সাথে রাজস্ব ব্যয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে  এবং নুতন নুতন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজও হাতে নিতে হচ্ছে।


Share with :

Facebook Twitter